দিল্লি
(২৮) এলাহাবাদ এয়ারপোর্ট যতদূর মনে হয় শুধুই ডোমিস্টিক পারপাসে ব্যবহার করা হয়। অভি একটু টেনশনেই ছিল সময় মত পৌঁছতে পারবে কিনা। কিন্তু দেখা গেল বিমান লেট। এই প্রথম অভি এরকম অবস্থায় পড়ল। সবচেয়ে বড় কথা কখন প্লেন ছাড়বে তার কোন খবর নেই। জিজ্ঞেস করেও কিছু জানা যাচ্ছে না। ওদিকে চঞ্চলের এয়ারপোর্টে আসার কথা। কয়েক ঘণ্টা পরে চঞ্চল ফোন করল তুই কোথায়? এলাহাবাদ এয়ারপোর্টে বসে আছি। প্লেন লেট। প্লেন কখন ছাড়বে? কে জানে? তাহলে এক কাজ করি, আমি বাসায় চলে যাই। তুই এয়ারপোর্টে এসে একটা ক্যাব ভাড়া করে চলে আসিস। ওসব অফিসিয়াল, তাই ঝামেলার সম্ভাবনা নেই। আবারও তোকে অ্যাড্রেস পাঠাচ্ছি। ঠিক আছে। চিন্তা করিস না। পৌঁছে যাবে। সমস্যা হলে ফোন করব। শেষ পর্যন্ত প্লেন ছাড়ল। দুপুরের পরে অভি পৌঁছুল ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে। সেখান থেকে একটা ক্যাব নিয়ে চলে গেল চঞ্চলের ওখানে। ও নীচে অপেক্ষা করছিল। অনেক দিন পরে দেখা হল চঞ্চলের সাথে। ও অভিদের ব্যাচের। অভির মত ওর সোভিয়েত জীবন শুরু ১৯৮৩ সালে। প্রিপারেটরি করেছে ক্রাস্নাদারে আর মূল পড়াশুনা খারকভে। মস্কো এলে রানার ওখানে উঠত। রানা ছিল কোলকাতার ছেলে। বোর্ডে ...